শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ০৭:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
প্রতারণার অভিযোগে কেয়া নীট কম্পোজিট লিমিটেডের স্টোর অফিসার আটক।  এআই ছবি দিয়ে ভয় দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক: আড়াই লাখ টাকা ও ৫০টি জুতা পেটায় মিমাংসা করলেন ইউপি চেয়ারম্যান। এআই ছবি দিয়ে ভয় দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক: আড়াই লাখ টাকা ও ৫০টি জুতা পেটায় মিমাংসা করলেন ইউপি চেয়ারম্যান। কৃষিখাত হবে জাতীয় সমৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তি-জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী টঙ্গীতে সাড়ে ১০ হাজার পিস ইয়াবা এবং নগদ ৫৮ লাখ টাকাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। কোনাবাড়ীতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত।  সুন্দরগঞ্জে ইয়াবাসহ ২ মাদক কারবারি আটক উল্লাপাড়ার রামকৃষ্ণপুর ইউপিতে গ্রাম আদালত বিষয়ে বার্ষিক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত শাহজাদপুরে ট্রাফিক বিভাগের আয়োজনে জনসচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত তফসিলের আগেই বেড়ায় প্রচারণায় সম্ভাব্য প্রার্থীরা

সলঙ্গার ধুবিল মেহমানশাহী উচ্চ বিদয়ালয়ে পরিক্ষার আগেই অর্থ বানিজ্যের অভিযোগ

রিপোর্টারের নাম : / ১৮৯ বার পড়া হয়েছে।
সময় কাল : শুক্রবার, ২১ জুন, ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক : সিরাজগঞ্জের সলঙ্গার মেহমানশাহী উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষক ও অফিস সহায়ক পদে নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে।

বিদ্যালয়ের সভাপতি ও ধুবিল ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মনিরুজ্জামান মনি মাস্টারের বিরুদ্ধে তার পছন্দের ২টি প্রার্থীর কাছ থেকে ২৬ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

জানাগেছে,২২ জুন শনিবার অত্র প্রতিষ্ঠানে ২ টি পদে নিয়োগের দিন নির্ধারণ করা হয়।

একটি পদে নিয়োগ দেওয়ার কথা বলে সলঙ্গা থানা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রিপন হাসানের নিকট হতে ৫ লাখ টাকা নিয়েও নিয়োগ পত্র দেয়নি সভাপতি মনি মাস্টার।

রেজাউল করিম কায়েস নামে এক পরিক্ষার্থীকে আবেদন পত্র বাতিল করে মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে জগনাথপুর গ্রামের আব্দুুল কাদের মাস্টারের ছেলে শরিফুল ইসলাম এর নিকট হতে ১২ লাখ টাকা ও অফিস সহকারী পদে উত্তর পাড়া ভর-মোহনী গ্রামের বাহাজ মাস্টারের ছেলে ফিরোজ এর নিকট হতে ১৪ লাখ টাকা নিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। যাহা সম্পূর্ন অবৈধ।

সলঙ্গা থানা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রিপন হাসান অভিযোগ করে বলেন,প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক ও সভাপতি মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে গোপনে নিয়োগের বিষয়ে কোনো আলোচনা বা মিটিং না করে গোপনে নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন করছেন। আমার নিকট হতেও মোটা অংকের অর্থ চেয়েছিল। আমি ৫ লাখ টাকা দিয়েও নিয়োগের দিন তারিখ নির্ধারণ করলেও আমাকে কোন কিছু জানানো হয়নি।

এব্যপারে মেহমানশাহী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গোলাম রব্বানী নিয়োগবিধি মেনেই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পাদন করা হয়েছে।কোনও প্রকার অর্থ লেনদেন করা হয় নাই।

বিদ্যালয়ের সভাপতি মনিরুজ্জামান মনি মাষ্টার জানান, নিয়োগ কার্যক্রমের জন্য কোনো অর্থের লেনদেন হয়নি।

রায়গঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ নাহিদ হাসান খান বলেন,এ বিষয় এখনো কোন অভিযোগ পাইনি।অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর