শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ০৭:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
প্রতারণার অভিযোগে কেয়া নীট কম্পোজিট লিমিটেডের স্টোর অফিসার আটক।  এআই ছবি দিয়ে ভয় দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক: আড়াই লাখ টাকা ও ৫০টি জুতা পেটায় মিমাংসা করলেন ইউপি চেয়ারম্যান। এআই ছবি দিয়ে ভয় দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক: আড়াই লাখ টাকা ও ৫০টি জুতা পেটায় মিমাংসা করলেন ইউপি চেয়ারম্যান। কৃষিখাত হবে জাতীয় সমৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তি-জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী টঙ্গীতে সাড়ে ১০ হাজার পিস ইয়াবা এবং নগদ ৫৮ লাখ টাকাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। কোনাবাড়ীতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত।  সুন্দরগঞ্জে ইয়াবাসহ ২ মাদক কারবারি আটক উল্লাপাড়ার রামকৃষ্ণপুর ইউপিতে গ্রাম আদালত বিষয়ে বার্ষিক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত শাহজাদপুরে ট্রাফিক বিভাগের আয়োজনে জনসচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত তফসিলের আগেই বেড়ায় প্রচারণায় সম্ভাব্য প্রার্থীরা

যশোরের শার্শায় চাচাকে হত্যার দায়ে ভাতিজার মৃত্যুদন্ড

রিপোর্টারের নাম : / ২১২ বার পড়া হয়েছে।
সময় কাল : মঙ্গলবার, ১৪ মে, ২০২৪

মনির হোসেন, বেনাপোল প্রতিনিধিঃ যশোরের শার্শা উপজেলা পশ্চিমকোটা গ্রামের আজগর আলী ফকিরকে হত্যার দায়ে ভাতিজা অহিদুল ইসলামের মৃত্যুদন্ডের আদেশ দিয়েছেন যশোরের একটি আদালত। ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় অহিদুলের মা সাহিদা বেগমকে খালাস দেওয়া হয়েছে। গতকাল সোমবার ১৩ মে অতিরিক্তি দায়রা জজ তৃতীয় আদালতের বিচারক ফারজানা ইয়াসমিন এক রায়ে এই আদেশ দিয়েছেন।

দন্ডপ্রাপ্ত অহিদুল ইসলাম পশ্চিমকোটা গ্রমের দক্ষিণপাড়ার জয়নাল ফকিরের ছেলে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্তি পিপি আসাদুজ্জামান।
মামলার অভিযোগে বাদী উল্লেখ করেছেন, আসামি অহিদুল তার পিতা জয়নাল ফকিরকে সম্পত্তি লিখে দেওয়ার জন্য নানাভাবে হুমকি দিয়ে আসাছিলেন। এর জের ধরে ২০১৩ সালের ১৯ মে সকালে অহিদুল তার পিতাকে স্থানীয় খালপাড়ের তিনরাস্তার মোড়ে পেয়ে মারপিট করেন। বিষয়টি মীমাংসার জন্য জয়নাল ফকির তার ভাই আজগর আলী, প্রতিবেশী নজরুলসহ বেশ কয়েকজনকে বিকেলে তার বাড়িতে ডেকে নিয়ে যান। কথাবার্তার এক পর্যায়ে অহিদুলের মা সাহিদা বেগম উত্তেজিত হয়ে সকলকে গালিগালাজ শুরু করেন। এরমধ্যে অহিদুল ঘরের বারান্দা থেকে সাবল নিয়ে চাচা আজগর আলীর মাথায় বাড়ি মারেন। গুরুতর আহত আজগর আলীকে প্রথমে বাগআঁচড়া ও পরে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজগর আলী গভীর রাতে মারা যান।
এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী ছকিনা খাতুন বাদী হয়ে মা-ছেলেকে আসামি করে শার্শা থানায় একটি মামলা করেন। এ মামলার তদন্ত শেষে অহিদুল ইসলাম ও তার মা সাহিদা বেগমকে অভিযুক্ত করে ওই বছরের ২৭ আগস্ট আদালতে চার্জশিট জমা দেন তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই রেজাউল হক। দীর্ঘ সাক্ষী গ্রহণ শেষে আসামির বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক তাকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন। অহিদুল ইসলাম কারাগারে আটক আছেন।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর