মঙ্গলবার, ২৮ জুন ২০২২, ০১:১৪ অপরাহ্ন

কাজিপুরে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, দূর্গত এলাকা পরিদর্শনে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান

কাজিপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি:
  • সময় কাল : মঙ্গলবার, ২১ জুন, ২০২২
  • ৪৫ বার পড়া হয়েছে।

উজানের ঢলে যমুনা নদীর পানিবৃদ্ধিতে সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলায় চলমান বন্যা পরিস্থিতি আরো অবনতি হয়েছে। পাউবোর তথ্যানুযায়ী ২১ জুন মঙ্গলবার সন্ধা ৬ টায় যমুনা নদীর পানি বিপদ সীমার ৬০ সে:মি: উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। চরাঞ্চলের নিম্নাঞ্চলসহ মসজিদ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, রাস্তাঘাট ও ঘরবাড়ি বানের পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে। দূর্গত এলাকা পরিদর্শন করেছেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান খলিলুর রহমান সিরাজী।

উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রান কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী উপজেলার চরাঞ্চলের ৬ টিসহ ৯ টি ইউনিয়নের ১৮৮ বর্গকিলোমিটার এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এতে ২ হাজার ২ শত ৯৩ টি পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ১০ হাজার ৩শত ২২জন মানুষ। এছাড়াও গবাদিপশু ও শিশুদের নিয়ে বিপাকে পড়েছেন তারা। উপজেলা প্রাণী সম্পদ অফিস সূত্রে জানা যায়, ২লক্ষ ৫০ হাজার টাকা সমপরিমাণের গবাদিপশু খাদ্য বন্যায় বিনষ্ট হয়েছে, পরিস্থিতি মোকাবেলায় টিকাদান এবং চিকিৎসা চালু আছে। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, এ সময় চরাঞ্চলে তেমন ফসল থাকেনা, চলতি বন্যায় ৫ হাজার ৫ শত হেক্টর জমির পাট, তিল ও আউশ ধান নিমজ্জিত হয়েছে, এতে ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন ৯ হাজার ১ শত ৮১ জন প্রান্তিক কৃষক।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সিরাজগঞ্জের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী হায়দার আলী জানান, সন্ধা ৬ টায় যমুনা নদীর কাজিপুর পয়েন্টে বিপদসীমার ৬০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে, বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ সার্বক্ষণিক মনিটরিংয়ের রয়েছে, জরুরী অবস্থা নিয়ন্ত্রনে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা ও সতর্কতা রয়েছে।

উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান খলিলুর রহমান সিরাজী দুর্গত এলাকা পরিদর্শন শেষে জানান, বন্যায় চরাঞ্চলের নাটুয়ারপাড়া ইউনিয়নের ফুলজোড়, চরগিরিশ ইউনিয়নের ভেটুয়া, চরনাটিপাড়া, তেকানি ইউনিয়নের হাড্ডির ঘাটসহ মনসুরনগর, খাসরাজবাড়ি ও নিশ্চিন্তপুর ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলসহ রাস্তাঘাট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিমজ্জিত হয়েছে এবং কিছু কিছু জায়গায় ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। এছাড়াও মাইজবাড়ী, কাজিপুর সদর, শুভগাছা ইউনিয়নের কিছু অংশ নিমজ্জিত হয়েছে।
উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড টিকিয়ে রাখতে স্থানীয়দের সম্পৃক্ত করা হয়েছে। উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে জি আর চাল ৪৭ মেঃটন, জি আর টাকা ২ লক্ষ ২৬ হাজার। শিশু খাদ্য ৪ লক্ষ ৮৭ হাজার ৬ শত টাকা, গোখাদ্য ১ লক্ষ ২৬ হাজার টাকা বরাদ্দ

Spread the love

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

এ বিভাগের আরও খবর
এই নিউজ পোর্টাল এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি ও দণ্ডনীয় অপরাধ ।  About Us | Contact Us | Terms & Conditions | Privacy Policy
Design & Developed by RJ Ranzit
themesba-lates1749691102