রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৩২ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
বালু বিষয়ে রুল ও ইনজাংশন : জেলা প্রশাসক ও নির্বাহী প্রকৌশলীর দপ্তরে এ্যাডভোকেট সার্টিফিকেট জমা জেলা পর্যায়ে হাতের লেখা প্রতিযোগীতায় শিবরাম স্কুল প্রথম জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস: জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও বাণী পাঠের মধ্য দিয়ে দেশজুড়ে আনসার-ভিডিপির আনুষ্ঠানিক কর্মসূচির সূচনা। গাজীপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাজতির আত্ম হত্যার চেষ্টা। কাজিপুরে কীটনাশক বিক্রেতার ভ্রাম্যমাণ আদালতে অর্থদণ্ড প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক সহায়তা পেলেন নিহত তৌফিকের পরিবার বেড়ায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপনের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত সিরাজগঞ্জ-পাবনায় অভিযান চালিয়ে বিপুল অস্ত্র-গোলাবারুদ উদ্ধার উপকূলীয় কৃষিতে নতুন দিগন্ত: অনুমোদন পেল লবণাক্ততা-সহনশীল উচ্চফলনশীল ‘ব্রি ধান১১৯। ওমরা পালনে ২২ জন আনসার সদস্যের হাতে ভিসা,বিমান টিকিট ও উপহারসামগ্রী তুলে দিলেন মহাপরিচালক। 

বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমী ‘স্বর্ণ পদক’ পেলেন ড.মো.আব্দুল লতিফ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ / ১৯৮ বার পড়া হয়েছে।
সময় কাল : শনিবার, ৯ নভেম্বর, ২০২৪

দেশের বিশিষ্ট কৃষি বিজ্ঞানী, ব্রির পরিচালক (প্রশাসন ও সাধারণ পরিচর্যা) ড. মো. আব্দুল লতিফ বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমী (বাংলাদেশ একাডেমী অফ সায়েন্সেস-বিএএস) স্বর্ণ পদক পুরস্কার পেয়েছেন।
শনিবার (৯ নভেম্বর) ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে তাঁর হাতে ‘বিএএস-জাতীয় অধ্যাপক ড. এম ইন্নাস আলী মেমোরিয়াল গোল্ড মেডেল পুরস্কার ২০২১’ তুলে দেয়া হয়। জীব বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে অসামান্য কৃতিত্ব ও অবদানের জন্য তাকে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
 আগারগাঁওস্থ জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কমপ্লেক্সে আয়োজিত স্বর্ণ পদক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রিন্সটন বিশ্ব বিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের ইউজিন হিগিন্স অধ্যাপক ড. এম জাহিদ হাসান।
বিএএস এর প্রেসিডেন্ট ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. এ কে আজাদ চৌধুরীর সভাপত্বিত্বে এ সময় বিএএস সচিব অধ্যাপক ড. হাসিনা খান উপস্থিত ছিলেন।
ড. মো. আব্দুল লতিফ ১৯৬৫ সালে বগুড়া জেলার ধুনট উপজেলার চৌকিবাড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৮৭ সালে বিএসসি (এজি) সম্মান ডিগ্রি অর্জন করেন। এছাড়াও ২০০১ সালে মালেশিয়ার পুত্রা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন। বর্তমানে ড. মো. আব্দুল লতিফ বাংলাদেশের
জাতীয় কৃষি গবেষণা সিস্টেম (এনএআরএস) এর আওতাধীন গবেষণা প্রতিষ্ঠানসমূহের মধ্যে অন্যতম জ্যেষ্ঠ বিজ্ঞানী।
তিনি ১৯৯৩ সালে এ ইনস্টিটিউটে বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করে গত ৩০ বছর ধরে বিভিন্ন পদে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তিনি ২০১০ থেকে ২০১২ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত মালেশিয়ার পুত্রা বিশ্ববিদ্যালয়ে পোস্ট ডক্টরাল রিসার্চসার এবং ২০১২ সালের মে থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত একই বিশ্ববিদ্যালয়ে সিনিয়র রিসার্চ ফেলো হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। দেশ- বিদেশের খ্যাতনামা জার্নালে তার ১৭৪ টি গবেষণামূলক প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। গত প্রায় তিন দশকে তিনি গবেষণা সংশ্লিষ্ট কাজে জাপান, চীন,ফিলিপাইন, থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া, কম্বোডিয়াসহ বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করেছেন।
ব্যক্তিগত জীবনে তিনি দুই সন্তানের জনক।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর