বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ০৬:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
গাকৃবিতে সয়াবিন গবেষণার উপর কর্মশালা অনুষ্ঠিত।  বাউবির মুক্তিযুদ্ধ গবেষণা কেন্দ্রের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে উপাচার্যের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। বাউবির এলএল.বি (অনার্স) ৮ম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান। বাউবির এলএল.বি (অনার্স) ৮ম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান। সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ও ট্রান্সফরমার চোর চক্রের ৯ সদস্য গ্রেফতার উল্লাপাড়ায় সাংবাদিকদের ওপর হামলা: পুলিশের রহস্যজনক নীরবতা, ক্ষোভে ফুঁসছে সাংবাদিক সমাজ বেড়ায় খাল পুনঃ খননের কাজের উদ্বোধন বেড়ায় হাট বাজারে মাছ সংকট বিপাকে ক্রেতা বিক্রেতা  কালিয়াকৈর পল্লী মঙ্গল কর্মসূচীর ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, সেবা পেলেন পাঁচ শতাধিক অসহায় মানুষ। চার বছর পর ন্যায়ের জয়: জয়পুরহাটে চেয়ারম্যানের চেয়ারে আতাউর রহমান”

বাউবির মুক্তিযুদ্ধ গবেষণা কেন্দ্রের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে উপাচার্যের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত।

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৭ বার পড়া হয়েছে।
সময় কাল : বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬

বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় (বাউবি)-এর মুক্তিযুদ্ধ গবেষণা কেন্দ্রের উদ্যোগে  মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০ টায় গাজীপুর ক্যাম্পাসের মুক্তিযুদ্ধ গবেষণা কেন্দ্রের কনফারেন্স কক্ষে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে কেন্দ্রের কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণের সাথে মাননীয় উপাচার্য মতবিনিময় করেন।
মুক্তিযুদ্ধ গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালক অধ্যাপক ড. রাফসান মাহমুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড.মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান।
সভায় মুক্তিযুদ্ধ গবেষণা কেন্দ্রের চলমান কার্যক্রম, সম্ভাবনা ও উন্নয়ন সংশ্লিষ্ট বিষয়সমূহ উপস্থাপন করা হয়। উপাচার্য মহোদয় কেন্দ্রের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল, ফলপ্রসূ ও গবেষণাভিত্তিক করে তোলার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস প্রদান করেন।
তিনি বলেন, “মুক্তিযুদ্ধ গবেষণা কেন্দ্রের গবেষণার পরিধি কেবল ১৯৭১ সালের নয় মাসের মহান মুক্তিযুদ্ধেই সীমাবদ্ধ না থেকে স্বাধীনতার পূর্ববর্তী সময়ের রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট এবং স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশের সামগ্রিক পরিবর্তন ও উন্নয়নকেও অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন। এতে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস ও তাৎপর্য আরও সুস্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হবে”।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, সুস্পষ্ট লক্ষ্য, পরিকল্পনা ও সুসংগঠিত কর্মপরিকল্পনার মাধ্যমে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালিত হলে তা সমাজ ও রাষ্ট্রের উন্নয়নে কার্যকর অবদান রাখতে সক্ষম হবে। বিদ্যমান কাঠামো অক্ষুণ্ণ রেখে কার্যপরিধির যথাযথ পুনর্নির্ধারণের মাধ্যমে গবেষণা কার্যক্রমকে আরও অর্থবহ ও ফলপ্রসূ করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
মুক্তিযুদ্ধ গবেষণা কেন্দ্রের বর্তমান অস্থায়ী কার্যালয়কে নির্ধারিত স্থানে লাইব্রেরি সংলগ্ন ‘মুক্তিযুদ্ধ কর্নার’-এ স্থানান্তর এবং প্রয়োজনীয় সংস্কারসহ উপযুক্ত অফিস কক্ষের ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়েও সভায় আলোচনা হয়। সভায় মুক্তিযুদ্ধ গবেষণা কেন্দ্রের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর