বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০২:২১ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় মৎস্য আড়ত ইজারার দাবিতে মানববন্ধন যমুনার ভাঙনে বিলীন জনবসতি; ঝুঁকিপূর্ণ দুটি সরকারি বিদ্যালয়  কাশিমপুর কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়া সেই নারী বন্দি গ্রেপ্তার। কোনাবাড়ীতে মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে শিক্ষক গ্রেফতার। বিয়ে বাড়িতে উৎসবে অ্যালকোহলের নামে মিছিলন পান করায় দুইজনের মৃত্যু। একটি ঘর বদলে দিল একটি পরিবারের জীবন ; মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন হাজী আব্দুল মোমিন বেড়ায় মাদক, অনলাইন জুয়া ও চুরি প্রতিরোধে আলোচনা সভা বেড়ায় জেল জরিমানা সহ মাদক কারবারি আটক ফেসবুকে ফেক আইডি খুলে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে অপপ্রচার:অভিযুক্ত যুবক গ্রেফতার।  কাজিপুরে বালুবাহী ট্রাক চাপায় নিহত ১ আহত ৩  জন

হার্ট অ্যাটাকে মারা যায় ইসলাম গার্মেন্টসের শ্রমিক রুবিনা, ছিলো ফুসফুসেও সমস্যা। 

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৫৫ বার পড়া হয়েছে।
সময় কাল : বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬

হার্ট অ্যাটাক করে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান নারী গার্মেন্টস শ্রমিক রুবিনা বেগম (৫০)। হার্ট অ্যাটাকের সময় তার ফুসফুসও ড্রেমেজ ছিলো বলে জানিয়েছেন হৃদরোগ ইন্সটিটিউট মেডিক্যালের কর্তব্যরত ডাক্তার। কথা গুলো বলছিলেন মৃত রুবিনা বেগমের জামাতা জসিম উদ্দিন।

মৃত রুবিনা বেগম সিরাজগঞ্জ জেলার কাজীপুর থানার মেঘাই গ্রামের মৃত সুমার আলী সরকারের মেয়ে।
তিনি গাজীপুর সিটি করপোরেশনের কোনাবাড়ী জরুন এলাকায় অবস্থিত ইসলাম গার্মেন্টস লিঃ (ইউনিট-২) এর ফিনিশিং সেকশনে কর্মরত ছিলেন।
জসিম উদ্দিন বলেন গেলো শনিবার ২৭ জুন ডিউটিরত অবস্থায় অসুস্থ বোধ করলে আমার শাশুড়ীকে কারখানার নিজস্ব মেডিক্যালে নেওয়া হয়। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে কোনাবাড়ী ক্লিনিকে পাঠানো হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা হৃদরোগ ইন্সটিটিউট মেডিক্যালে রেফার্ড করা হয়।
তিনি বলেন,হৃদরোগ ইন্সটিটিউট মেডিক্যালে নিয়ে যাওয়ার পর কর্তব্যরত ডাক্তার বলেন,উনি বড় ধরনের হার্ট অ্যাটাক করেছে জরুরী ভাবে রিং পড়াতে হবে। ডাক্তার বললো ২৫ হাজার টাকা লাগবে। আমরা রাজি হলে শাশুড়ীকে সি সি ইউ তে নেওয়া হয়।
এরপর কিছু পরীক্ষা নিরিক্ষা দেয় ডাক্তার। পরীক্ষার রিপোর্ট দেখে ডাক্তার বলেন উনার হার্ট অ্যাটাক এর পাশাপাশি ফুসফুসও ড্রেমেজ হয়ে গেছে। দীর্ঘদিন ধরে উনি ফুসফুসে রোগেও ভুগছেন। রিং পরানোর আগে ফুসফুসের চিকিৎসা করতে হবে। এই মুহুর্তে  ইনজেকশন দিতে হবে আর কিছু ঔষধ দিয়েছি এগুলো নিয়ে আসেন। আমি ডাক্তারের কথামতো ঔষধ আনতে গেলে কিছুক্ষণ পরে এসে দেখি দুইজন ডাক্তার দাঁড়িয়ে আছে। তারা আমাকে বলছেন আপনার শাশুড়ি রাত আনুমানিক ৮ টার সময় মারা গেছে। পরে মেডিক্যাল থেকে মৃত্যু সার্টিফিকেট নিয়ে রাতেই গ্রামের বাড়ী সিরাজগঞ্জ আসি।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর