বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ০৭:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
হার্ট অ্যাটাকে মারা যায় ইসলাম গার্মেন্টসের শ্রমিক রুবিনা, ছিলো ফুসফুসেও সমস্যা।  গুজবে শ্রমিকদের ধর্মঘট,অথপর কারখানা অনির্দিষ্ঠকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা। বেড়ায় একমাসে ৪৩ জন মাদক কারবারি আটক  লালমনিরহাটের শিবরাম আদর্শ পাবলিক স্কুলে বার্ষিক চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত বেড়ায় ওয়ান চাইল্ড ওয়ান ট্রি কর্মসূচি নছের মার্কেট বন্ধু মহল সংঘের সভাপতি কামরুল ইসলাম,সাঃ সম্পাদক মাসুদ রানা।  সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় ডাকাত চক্রের সদস্য গ্রেফতার, কনস্টেবল আহত সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় মাদ্রাসার সুপারকে অপসারণের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন ধর্ষনের নিউজ করায় সাংবাদিক রাব্বি হাসান হৃদয় কারাগারে যমুনা নদীতে নিখোঁজ দুই শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার।

হার্ট অ্যাটাকে মারা যায় ইসলাম গার্মেন্টসের শ্রমিক রুবিনা, ছিলো ফুসফুসেও সমস্যা। 

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৯ বার পড়া হয়েছে।
সময় কাল : বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬

হার্ট অ্যাটাক করে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান নারী গার্মেন্টস শ্রমিক রুবিনা বেগম (৫০)। হার্ট অ্যাটাকের সময় তার ফুসফুসও ড্রেমেজ ছিলো বলে জানিয়েছেন হৃদরোগ ইন্সটিটিউট মেডিক্যালের কর্তব্যরত ডাক্তার। কথা গুলো বলছিলেন মৃত রুবিনা বেগমের জামাতা জসিম উদ্দিন।

মৃত রুবিনা বেগম সিরাজগঞ্জ জেলার কাজীপুর থানার মেঘাই গ্রামের মৃত সুমার আলী সরকারের মেয়ে।
তিনি গাজীপুর সিটি করপোরেশনের কোনাবাড়ী জরুন এলাকায় অবস্থিত ইসলাম গার্মেন্টস লিঃ (ইউনিট-২) এর ফিনিশিং সেকশনে কর্মরত ছিলেন।
জসিম উদ্দিন বলেন গেলো শনিবার ২৭ জুন ডিউটিরত অবস্থায় অসুস্থ বোধ করলে আমার শাশুড়ীকে কারখানার নিজস্ব মেডিক্যালে নেওয়া হয়। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে কোনাবাড়ী ক্লিনিকে পাঠানো হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা হৃদরোগ ইন্সটিটিউট মেডিক্যালে রেফার্ড করা হয়।
তিনি বলেন,হৃদরোগ ইন্সটিটিউট মেডিক্যালে নিয়ে যাওয়ার পর কর্তব্যরত ডাক্তার বলেন,উনি বড় ধরনের হার্ট অ্যাটাক করেছে জরুরী ভাবে রিং পড়াতে হবে। ডাক্তার বললো ২৫ হাজার টাকা লাগবে। আমরা রাজি হলে শাশুড়ীকে সি সি ইউ তে নেওয়া হয়।
এরপর কিছু পরীক্ষা নিরিক্ষা দেয় ডাক্তার। পরীক্ষার রিপোর্ট দেখে ডাক্তার বলেন উনার হার্ট অ্যাটাক এর পাশাপাশি ফুসফুসও ড্রেমেজ হয়ে গেছে। দীর্ঘদিন ধরে উনি ফুসফুসে রোগেও ভুগছেন। রিং পরানোর আগে ফুসফুসের চিকিৎসা করতে হবে। এই মুহুর্তে  ইনজেকশন দিতে হবে আর কিছু ঔষধ দিয়েছি এগুলো নিয়ে আসেন। আমি ডাক্তারের কথামতো ঔষধ আনতে গেলে কিছুক্ষণ পরে এসে দেখি দুইজন ডাক্তার দাঁড়িয়ে আছে। তারা আমাকে বলছেন আপনার শাশুড়ি রাত আনুমানিক ৮ টার সময় মারা গেছে। পরে মেডিক্যাল থেকে মৃত্যু সার্টিফিকেট নিয়ে রাতেই গ্রামের বাড়ী সিরাজগঞ্জ আসি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর