শিরোনামঃ
দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও ত্যাগ-তিতিক্ষায় তৃণমূলের আস্থার প্রতীক শিরিন চাকলাদার।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত ৫০টি নারী আসনের নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও তাদের জোটের জন্য সম্ভাব্য প্রার্থীদের নাম নিয়ে দলীয় অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত হিসাব অনুযায়ী, এবারের সংরক্ষিত নারী আসনের মধ্যে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট পেতে যাচ্ছে ৩৬টি আসন, জামায়াতে ইসলামী ও তাদের জোট ১৩টি আসন এবং ১টি আসন স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে।
দলীয় নীতিনির্ধারক পর্যায়ের একাধিক সূত্র বলছে, সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থী বাছাইয়ে বিএনপি এবার বিশেষভাবে গুরুত্ব দিচ্ছে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ত্যাগ, আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা এবং সাংগঠনিক দক্ষতাকে। এছাড়া সংসদ কাঁপাতে পারে এমন নেত্রীদের প্রাধান্য দেওয়া হবে।
একই সঙ্গে দলটি ‘এক পরিবারের এক প্রার্থী’ নীতি অনুসরণ করতে পারে বলেও আলোচনা রয়েছে।
এদিকে সংরক্ষিত মহিলা এমপি হিসেবে গাজীপুরে তৃর্ণমূলে আলোচনায় রয়েছেন মহানগরী এলাকায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী রাজনীতির এক সুপরিচিত নাম শিরিন চাকলাদার। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং ত্যাগ-তিতিক্ষার মধ্য দিয়ে তিনি তৃণমূল পর্যায়ে একজন গ্রহণযোগ্য নেত্রী হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন।
দলীয় সূত্রে জানাযায়, শিরিন চাকলাদার গাজীপুর মহানগর মহিলা দলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে সংগঠনকে সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তাঁর নেতৃত্বে তৃণমূলের নেতাকর্মীরা দলীয় কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে এবং সাংগঠনিক কার্যক্রমে গতি ফিরে পায়।
রাজনৈতিক জীবনে তিনি বিভিন্ন সময়ে ইউনিয়ন পরিষদ ও সিটি কর্পোরেশনের দায়িত্বে থেকে জনগণের আস্থা অর্জন করেছেন। জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি স্থানীয় উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তোলেন।
সংগ্রামী রাজনৈতিক জীবনে শিরিন চাকলাদার একাধিকবার হামলা, মামলা ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। ২০১৪ সালের রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় তাঁর ওপর হামলার ঘটনা রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচিত হয়। এছাড়া ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের সময় তাঁকে কারাবরণ করতে হয়। এসব প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি দলীয় আদর্শ ও নীতির প্রতি অবিচল থেকে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন।
পরিবারগতভাবেও তিনি একটি সক্রিয় রাজনৈতিক পরিবেশের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তাঁর পরিবারের সদস্যরাও দলীয় বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থেকে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিচ্ছেন।
সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা, ত্যাগ ও সাংগঠনিক দক্ষতার কারণে শিরিন চাকলাদার গাজীপুর অঞ্চলে একজন প্রভাবশালী ও গ্রহণযোগ্য নেত্রী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছেন।
দলের প্রতি তাঁর অবদান, ত্যাগ ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে জাতীয় সংসদে মহিলা সংরক্ষিত আসনের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক দায়িত্বে তাঁর অংশগ্রহণ প্রত্যাশা করছেন তৃণমূলের নেতাকর্মীরা। তৃণমূল নেতাকর্মীদের দাবী দল সঠিক মূল্যায়ন করবেন শিরিন চাকলাদার এর
প্রতি।
আপনার মতামত লিখুন :
Leave a Reply
এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর







