শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ০৩:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
গাজীপুরে পরিত্যক্ত পিকআপ ভ্যান থেকে ৩০ কেজি গাঁ/জা উদ্ধার। উল্লাপাড়া ৫০ শয্যা বিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীদের খাবারে অনিয়মের অভিযোগ ; ২৩২ গ্রামের বদলে মিলছে মাত্র ১৭ থেকে ৩২ গ্রাম মাংস সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় মৎস্য আড়ত ইজারার দাবিতে মানববন্ধন যমুনার ভাঙনে বিলীন জনবসতি; ঝুঁকিপূর্ণ দুটি সরকারি বিদ্যালয়  কাশিমপুর কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়া সেই নারী বন্দি গ্রেপ্তার। কোনাবাড়ীতে মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে শিক্ষক গ্রেফতার। বিয়ে বাড়িতে উৎসবে অ্যালকোহলের নামে মিছিলন পান করায় দুইজনের মৃত্যু। একটি ঘর বদলে দিল একটি পরিবারের জীবন ; মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন হাজী আব্দুল মোমিন বেড়ায় মাদক, অনলাইন জুয়া ও চুরি প্রতিরোধে আলোচনা সভা বেড়ায় জেল জরিমানা সহ মাদক কারবারি আটক

উল্লাপাড়া ৫০ শয্যা বিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীদের খাবারে অনিয়মের অভিযোগ ; ২৩২ গ্রামের বদলে মিলছে মাত্র ১৭ থেকে ৩২ গ্রাম মাংস

রিপোর্টারের নাম : / ১৬ বার পড়া হয়েছে।
সময় কাল : শুক্রবার, ২৪ জুলাই, ২০২৬

আল-আমিন, উল্লাপাড়া :

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া ৫০ শয্যা বিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রোগীদের খাবার নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সরকারি ডায়েট চার্ট অনুযায়ী রোগীদের ২৩২ গ্রাম সোনালী বা দেশি মুরগির মাংস দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে দেওয়া হচ্ছে মাত্র ১৭ থেকে ৩২ গ্রাম ব্রয়লার মুরগির মাংস। এতে রোগীদের জন্য বরাদ্দকৃত খাবারে নয়ছয়ে জনমনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় , হাসপাতালের ডায়েট তালিকায় ভর্তি রোগী ৪৩ জন, অথচ ৪৯ জনের খাবার কথা বলা হচ্ছে । ফলে অতিরিক্ত রোগীর খাবার বেশি দেখানোর বিষয়টি নিয়ে দেখা দিয়েছে ধোঁয়াশা।

হাসপাতালে ভর্তি থাকা একাধিক রোগী অভিযোগ করে বলেন, হাসপাতালের খাবার খাওয়ার মতো নয়। মাংস বলতে শুধু হাড় আর ছোট্ট এক টুকরো। এমন খাবার খেয়ে সুস্থ হওয়ার পরিবর্তে রোগীরা আরও দুর্বল হয়ে পড়ছেন।

খাবার রান্নার দায়িত্বে থাকা বাবুর্চি আব্দুল মজিদ বলেন, অফিস থেকে যেভাবে নির্দেশ দেওয়া হয়, আমি সেভাবেই রান্না করি। মাংস যেভাবে কাটতে বলা হয়, সেভাবেই কেটে দিই। আমি শুধু নির্দেশ পালন করি।

এ ঘটনা জানতে ঠিকাদার শহিদুল ইসলামকে বার বার মোবাইলে ফোন দিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা : মো. মনোয়ার হোসেন বলেন, হাসপাতালের ডায়েটের খাবার তদারকির দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কমিটির। খাবারের বিষয়ে অভিযোগ পাওয়ায় এর আগেও ঠিকাদারকে একাধিকবার লিখিত নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তারপর সে সংশোধন হয়নি ।

প্রশ্ন উঠেছে, রোগীদের পুষ্টিকর খাবারের জন্য সরকারের বরাদ্দ থাকলেও সেই খাবার কোথায় যাচ্ছে? নির্ধারিত পরিমাণের পরিবর্তে কেন এত কম মাংস দেওয়া হচ্ছে!  আর ৪৩ জন রোগীর বিপরীতে ৪৯ জনের খাবার রান্নার হিসাবই বা কী?

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, বিষয়টি শুধু প্রশাসনিক অনিয়ম নয়, বরং অসুস্থ ও অসহায় রোগীদের মৌলিক অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি খেলার শামিল। তারা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং রোগীদের জন্য সরকারি বরাদ্দের শতভাগ সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর