বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ০৫:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
দালাল চক্রের মুখে ছাই পরবর্তী শুনানি ২০ জুলাই। গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় প্রধান আসামি গ্রেফতার, অন্যরা পলাতক। উল্লাপাড়ায় বস্তায় আদা চাষ প্রদর্শনীর মাঠ দিবস, চারা বিতারণ ও বৃক্ষ রোপন অনুষ্ঠিত প্রতারণার অভিযোগে কেয়া নীট কম্পোজিট লিমিটেডের স্টোর অফিসার আটক।  এআই ছবি দিয়ে ভয় দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক: আড়াই লাখ টাকা ও ৫০টি জুতা পেটায় মিমাংসা করলেন ইউপি চেয়ারম্যান। এআই ছবি দিয়ে ভয় দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক: আড়াই লাখ টাকা ও ৫০টি জুতা পেটায় মিমাংসা করলেন ইউপি চেয়ারম্যান। কৃষিখাত হবে জাতীয় সমৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তি-জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী টঙ্গীতে সাড়ে ১০ হাজার পিস ইয়াবা এবং নগদ ৫৮ লাখ টাকাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। কোনাবাড়ীতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত।  সুন্দরগঞ্জে ইয়াবাসহ ২ মাদক কারবারি আটক

উল্লাপাড়ায় জিয়াউর রহমানের শেষ জনসভার স্থানে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের দাবি

রিপোর্টারের নাম : / ৬২ বার পড়া হয়েছে।
সময় কাল : বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬
Screenshot

আল-আমিন, উল্লাপাড়া :

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় শহীদ রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান এর শেষ জনসভার স্মৃতি সংরক্ষণে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের জোর দাবি জানিয়েছেন সিরাজগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম বাবলু।

২ জুন মঙ্গলবার জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষে উল্লাপাড়ায় আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান বক্তার বক্তব্যে তিনি এ দাবি জানান।

বক্তব্যে সাইফুল ইসলাম বাবলু বলেন, ১৯৮১ সালের ২৯ মে উল্লাপাড়া সরকারি আকবর আলী কলেজ মাঠে জিয়াউর রহমান তাঁর জীবনের শেষ জনসভায় ভাষণ দেন। পরদিন ৩০ মে চট্টগ্রামে একদল বিপথগামী সেনা সদস্যের হাতে তিনি নিহত হন। ফলে উল্লাপাড়ার ওই জনসভা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত।

তিনি বলেন, যে স্থান থেকে দেশের একজন রাষ্ট্রপতি তাঁর শেষ জনসভায় বক্তব্য দিয়েছিলেন, সেই স্থানটি আজও যথাযথভাবে সংরক্ষিত হয়নি। ইতিহাস ও ঐতিহ্য রক্ষার স্বার্থে উল্লাপাড়া সরকারি আকবর আলী কলেজ মাঠে তাঁর শেষ ভাষণের স্মরণে একটি দৃষ্টিনন্দন স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা সময়ের দাবি।

সাইফুল ইসলাম বাবলু আরও বলেন, উল্লাপাড়ার মানুষ এই ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী। নতুন প্রজন্মের কাছে দেশের রাজনৈতিক ইতিহাস তুলে ধরতে এবং জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলো স্মরণীয় করে রাখতে একটি স্মৃতিস্তম্ভ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তিনি দাবি করেন, অতীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর সঙ্গে একাধিকবার সাক্ষাতে বিষয়টি উত্থাপন করা হয়েছিল এবং এ বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাসও পাওয়া গিয়েছিল। তবে তৎকালীন রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে তা বাস্তবায়ন হয়নি।

তিনি উল্লাপাড়ার এই ঐতিহাসিক স্থানটিকে জাতীয়ভাবে চিহ্নিত করে সেখানে একটি স্থায়ী স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের আহ্বান জানান। তাঁর ভাষায়, এটি শুধু বিএনপির দাবি নয়, ইতিহাস সংরক্ষণের স্বার্থে সচেতন নাগরিকদেরও দাবি।

আলোচনা সভায় বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। সভা শেষে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর