বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৩৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
বেনাপোল-পেট্রাপোল স্থলবন্দরে আমদানি-রফতানি শুরু। নববর্ষে আবৃত্তি প্রতিযোগীতায় জেলায় ২য় স্থান শিবরাম স্কুলের শিক্ষার্থী নুহা বেড়ায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে নববর্ষ উদযাপন পহেলা বৈশাখ মঙ্গলবার বন্ধ থাকছে বেনাপোলে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম শিক্ষাক্ষেত্রে একবারই রেজিস্ট্রেশন করতে হবে, এক মুরগী ৩ বার জবাই চলবে না-যশোরে শিক্ষামন্ত্রী। শার্শায় ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা : অভিযুক্ত বৃদ্ধ আটক। এবার ঝিকরগাছায় পিকআপের ধাক্কায় যুবক নিহত। যশোরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাংলা নববর্ষ উদযাপন শুরু। সলঙ্গায় এভার গ্রীন দই মিষ্টি ঘর ও আলীম হোটেলে ভোক্তা অধিকারের জরিমানা হেযবুত তাওহীদ কার্যক্রম বন্ধের দাবীতে বিক্ষোভ করছেে উলামায়ে কেরাম ও তৌহিদী জনতা।

যশোরে পাম্পে পাম্পে ঘুরেও মিলছে না জ্বালানি তেল, দুর্ভোগে সাধারণ মানুষ

রিপোর্টারের নাম : / ৪৬ বার পড়া হয়েছে।
সময় কাল : বুধবার, ২৫ মার্চ, ২০২৬

মনির হোসেন,বেনাপোল প্রতিনিধি: ঢাকায় যানজট নিরসনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। রাজধানীর ট্রাফিক ব্যবস্থা ঢেলে সাজানোর অংশ হিসেবে ঢাকার ১২০টি ট্রাফিক সিগন্যাল পর্যায়ক্রমে অটোমেশনের আওতায় আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে ‘ঢাকা শহরের যানজট নিরসন ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়ন’ শীর্ষক বিশেষ সভায় মোট ৯টি সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে সরকারপ্রধানের অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজধানীর ট্রাফিক ব্যবস্থা ঢেলে সাজাতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে ব্যবস্থা নিতে বলেছেন। তিনি ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন ও যুগোপযোগী করে গড়ে তোলার কথা বলেছেন। কীভাবে যানজট সমস্যার সমাধান করা যায়, সে বিষয়ে আজকের বৈঠকে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত হয়েছে।” বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, ঢাকার ট্রাফিক সিগন্যালগুলো দেশীয় পদ্ধতিতে অটোমেশনের ব্যবস্থা করা হবে। পর্যায়ক্রমে ঢাকার ১২০টি সিগন্যালের অটোমেশন করা হবে। যানজট নিরসনে ঢাকা শহরের চারপাশে নতুন বাইপাস সড়ক এবং শহরের ভেতরে ওভারপাস ও আন্ডারপাস নির্মাণ করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। ঢাকায় যত্রতত্র যেসব বাস কাউন্টার রয়েছে, সেগুলো অপসারণ করা হবে। ঢাকা মহানগরের ভেতরে থাকা পাঁচটি আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল অতিদ্রুত সরিয়ে শহরের বাইরে স্থাপন করা হবে। এই পাঁচটি বাস টার্মিনাল ‘সিটি সার্ভিসের’ জন্য চালু করা হবে।

 

রাস্তার দুপাশের সড়ক দখলমুক্ত করার এবং রাস্তার মাঝে বিদ্যুতের খুঁটি থাকলে সেগুলো সরিয়ে ফেলার সিদ্ধান্ত হয়েছে সভায়। এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে যানজন কিছুটা হলেও কমবে বলে আমাদের বিশ্বাস।

ঈদের ছুটি কাটতে না কাটতেই যশোরে আবার জ্বালানি তেলের সংকট দেখা দিয়েছে। টাকা থাকলেও পাম্পগুলোতে মিলছে না তেল। জেলার অধিকাংশ পাম্পে তেল নেই; হাতেগোনা দুই-একটি পাম্পে অকটেন ও ডিজেল পাওয়া গেলেও পেট্রোল নেই। ফলে তেলের জন্য পাম্পে পাম্পে ঘুরতে হচ্ছে ক্রেতাদের। এতে ক্রেতাদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

মণিরামপুর উপজেলার রাজগঞ্জের বাসিন্দা আবুল হোসেন জানান, মোটরসাইকেলে প্রয়োজনীয় কাজে শহরে এসে তিনি বিপাকে পড়েছেন। রিজার্ভের তেল দিয়ে বেশ কিছু পথ পাড়ি দিয়ে আকিজ পাম্প, আইয়ুব আলী পাম্প, ইউনিক ও সোনালী পাম্পসহ শহরের বিভিন্ন স্থানে ঘুরেও পেট্রোল পাননি। অবশেষে খাজুরা বাসস্ট্যান্ডের প্রান্তি পাম্পে এসেছেন সামান্য তেলের আশায়। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, “সরকার মুখে আশ্বস্ত না করে বাস্তবে তেলের সরবরাহ নিশ্চিত করে আমাদের এই ভোগান্তি থেকে মুক্তি দিক।”

একই অভিজ্ঞতার কথা জানান ক্যান্টনমেন্ট এলাকার মিজানুর রহমান। মণিহার ও গাড়িখানা রোডের তোফাজ্জেল পাম্পসহ বিভিন্ন স্থানে ঘুরেও তিনি তেলের সন্ধান পাননি। তিনি অভিযোগ করেন, পাম্পগুলো শুধু বন্ধই রাখা হয়নি, কেন তেল নেই তা জানানোর মতো কোনো লোকও সেখানে পাওয়া যাচ্ছে না। তিনি বলেন, “সরকার বলছে তেলের পর্যাপ্ত রিজার্ভ আছে, অথচ পাম্পে এলে তেল পাওয়া যাচ্ছে না। এই বৈপরীত্যের কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি গঠন করা প্রয়োজন।”

শহরের পুরাতন কসবা এলাকার এক যুবক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “এখন মোটরসাইকেল রেখে পায়ে হাঁটার সময় চলে এসেছে। সকাল থেকে ঘুরেও তেল পাচ্ছি না। নতুন সরকার অনেক আশ্বাস দিলেও ভোগান্তি কমছে না।”

জ্বালানি তেল পাম্প মালিক সমিতির সদস্য ও মেসার্স প্রান্তি পেট্রোলিয়ামের স্বত্বাধিকারী রিমনুজ্জামান জানান, বর্তমানে কোটা পদ্ধতির মাধ্যমে রেশনিং করে ডিপো থেকে তেল সরবরাহ করা হচ্ছে। তিনি বলেন, “আজ শুধু অকটেন পেয়েছি যা গ্রাহকদের দিচ্ছি। আশা করছি আগামীকাল পেট্রোল পাব।” তিনি আরও জানান, ঈদের পর আজ ব্যাংক খোলায় মালিকরা পে-অর্ডার জমা দিচ্ছেন। এরপর তেল ছাড় হলে সাধারণ গ্রাহকদের সরবরাহ স্বাভাবিক হতে পারে বলে তিনি আশা ব্যক্ত করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর