শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
রাশিয়া-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান হলেন মিয়া সাত্তার ইলিশ রক্ষায় যমুনা নদীতে অভিযান; ৪০ হাজার মিটার অবৈধ জাল জব্দ যমুনায় অভিযানে ৮০ হাজার মিটার অবৈধ জাল পুরিয়ে ধ্বংস বেড়ায় সুষ্ঠু ভাবে বিজয়া দশমী সম্পন্ন কাজিপুরে বিষপানে বাবা-মেয়ের আত্মহত্যা। বেড়ায় ড্রেজার দিয়ে বালু তোলায় ৩ জনের কারাদণ্ড সহ ৭ লাখ টাকা জরিমানা। দৈনিক কালবেলার অগ্রযাত্রার চার বছর পূর্তি উপলক্ষে কোনাবাড়ীতে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন। গাজীপুর বিআরটিএ দালাল সিন্ডিকেট এর মূল হোতা অফিস প্রধান নুরুল ইসলাম। ওয়ালটন প্লাজা-জিরানী বাজার শাখার আয়োজনে মৃত ক্রেতার পরিবার ও ক্রেতার স্ত্রীকে নগদ এক লাখ টাকা প্রদান।  গাজীপুরে প্রতারণার অভিযোগে সাবেক ইউপি সদস্য  কারাগারে।

কলা চাষে দুই লাখ টাকা লাভের আশা করছেন কৃষক ঠান্ডু

রিপোর্টারের নাম : / ১৮২ বার পড়া হয়েছে।
সময় কাল : সোমবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২৫

এস আর শাহ্ আলম স্টাফ রিপোর্টার: বাড়ির পাশে শখ করে দেড় বিঘা জমিতে দেশীয় শবরী কলা গাছের চারা বুনেছিলেন পাবনার বেড়া উপজেলার হাটুরিয়া – নাকালিয়া ইউনিয়নের পেচাকোলা গ্রামের সমাজ সেবক আ. রহমান ঠান্ডু।

অক্লান্ত পরিশ্রম এবং নিবিড় পরিচর্যায় এখন তাঁর কলা পরিপক্ক হয়েছে।৭০ হাজার টাকা ব্যয় করে এক বছর সময় নিয়ে নিজের উদ্যোগ ও কঠোর পরিশ্রমের মধ্যে দিয়ে প্রায় ৬’শ কলা গাছের চারা রোপনের মাধ্যমে করেছেন দেশীয় শবরী কলার বাগান। নানা প্রতিকূলতার মাঝেও প্রতিটি গাছে ফলন হরেছে , যা দেখে তাঁর মুখে ফুটে উঠেছে সুখের হাসি। কলা চাষি ঠান্ডু বলেন ,

প্রতি কাদিতে ৭০থেকে ৮০টি কলা ধরেছে । ৬ ‘শ গাছে প্রায় ৪ থেকে ৫ হাজার কলা হয়েছে। পাইকারি হিসাবে ৪’শ থেকে ৪৫০টাকা দরে প্রতি কাদি কলা বিক্রি হবে। কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে কলা চাষি ঠান্ডু প্রায় ২ লাখ ৭০ হাজার টাকার কলা বিক্রির আশা করছেন বলে তিনি জানান ।

ইতোমধ্যে তাঁর এই কলা বাগান দেখতে আশেপাশের এলাকা থেকে লোকজন ছুটে আসছে এবং অনেকে তাঁর কাছে পরামর্শ নিচ্ছে কিভাবে কলা বাগান করা যায়? স্বপ্ন দেখছেন আগামী এক মাসের মধ্যে বাণিজ্যিকভাবে কলা বাজারে বিক্রি করবেন এ বছর কলা চাষ করে দুই লাখ টাকার স্বপ্ন দেখছেন এই কৃষক। নিয়মিত গাছে সার কীটনাশক প্রয়োগ সহ গাছের পরিচর্যা করছেন তিনি অধিকাংশ গাছেই বাম্পার ফলন হয়েছে। বাগানটি তৈরি করতে এক বছরে প্রায় ৭০ হাজার টাকা ব্যয় করেছেন তিনি।

তবে আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবং কলায় কোনো রোগ বালাই না হলে বাণিজ্যিকভাবে কলা বিক্রি করে সারা বছরের সাংসারিক চাহিদা মেটাতে পারবেন বলে তিনি আশাবাদী। এ কৃষক আরও জানান, তুলনামূলকভাবে অন্যান্য ফসলের চেয়ে কলা চাষে খরচ কম লাভ বেশি । সাধারণত বৈশাখ মাসে কলার চারা রোপন করলে অগ্রহায়ণ মাস থেকে কলা পাওয়া শুরু হয়।

যেসব জমিতে বর্ষার পানি সাধারণত এক সপ্তাহের বেশি থাকে না সেসব জমিতে কলার চাষ ভাল হয়।তবে কৃষি অফিসের নিয়মিত পরামর্শ এবং মাঠ তদারকিতে উপজেলার অনেকেই কলা চাষে উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন বলে মনে করেন এ কৃষক। বেড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ নুসরাত কবীর ০বলেন ,২০২৫-২৬ অর্থ বছরে কলা আবাদের লক্ষ্য মাত্রা ছিল ২১ হেক্টর , অর্জন হয়েছে ২৩ হেক্টর।

কলা চাষিদের বিভিন্ন ধরনের উৎসাহ এবং পরামর্শ প্রদান করা হয়।দোআঁশ মাটিতে কলা চাষ ভালো হয় বলে তিনি অনলাইন নিউজ পোর্টাল কলমের বার্তাকে জানান।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর