সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৯:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
ফুলে ভরেছে যশোরের গদখালীতে, চাষিদের মুখে ফের হাসি গত ছয় মাসে আসেনি কোনো খাদ্যপণ্যসহ অন্যান্য সামগ্রী বেনাপোল রেলপথে পণ্য আমদানিতে ধস আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট বেনাপোলে টাকাসহ দুই ভারতীয় নারী আটক কাজিপুরে ট্রাক-ভ্যানগাড়ী মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১ জন সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় ১২০ গ্রাম হেরোইনসহ কিশোর আটক তাবলীগের মুরুব্বি হাজী সেলিমের ইন্তেকাল বিএনপি প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিলের দাবিতে মশাল মিছিল গাকৃবিতে শহিদ বুদ্ধিজীবীদের যথাযোগ্য মর্যাদা ও গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ সুনাম অর্জনে প্রথম সাফল্যে গাঁথা লালমনিরহাটের শিবরাম স্কুল, শার্শা বাহদুরপুরে বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতার জন্য দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

কলা চাষে দুই লাখ টাকা লাভের আশা করছেন কৃষক ঠান্ডু

রিপোর্টারের নাম : / ৫৪ বার পড়া হয়েছে।
সময় কাল : সোমবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২৫

এস আর শাহ্ আলম স্টাফ রিপোর্টার: বাড়ির পাশে শখ করে দেড় বিঘা জমিতে দেশীয় শবরী কলা গাছের চারা বুনেছিলেন পাবনার বেড়া উপজেলার হাটুরিয়া – নাকালিয়া ইউনিয়নের পেচাকোলা গ্রামের সমাজ সেবক আ. রহমান ঠান্ডু।

অক্লান্ত পরিশ্রম এবং নিবিড় পরিচর্যায় এখন তাঁর কলা পরিপক্ক হয়েছে।৭০ হাজার টাকা ব্যয় করে এক বছর সময় নিয়ে নিজের উদ্যোগ ও কঠোর পরিশ্রমের মধ্যে দিয়ে প্রায় ৬’শ কলা গাছের চারা রোপনের মাধ্যমে করেছেন দেশীয় শবরী কলার বাগান। নানা প্রতিকূলতার মাঝেও প্রতিটি গাছে ফলন হরেছে , যা দেখে তাঁর মুখে ফুটে উঠেছে সুখের হাসি। কলা চাষি ঠান্ডু বলেন ,

প্রতি কাদিতে ৭০থেকে ৮০টি কলা ধরেছে । ৬ ‘শ গাছে প্রায় ৪ থেকে ৫ হাজার কলা হয়েছে। পাইকারি হিসাবে ৪’শ থেকে ৪৫০টাকা দরে প্রতি কাদি কলা বিক্রি হবে। কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে কলা চাষি ঠান্ডু প্রায় ২ লাখ ৭০ হাজার টাকার কলা বিক্রির আশা করছেন বলে তিনি জানান ।

ইতোমধ্যে তাঁর এই কলা বাগান দেখতে আশেপাশের এলাকা থেকে লোকজন ছুটে আসছে এবং অনেকে তাঁর কাছে পরামর্শ নিচ্ছে কিভাবে কলা বাগান করা যায়? স্বপ্ন দেখছেন আগামী এক মাসের মধ্যে বাণিজ্যিকভাবে কলা বাজারে বিক্রি করবেন এ বছর কলা চাষ করে দুই লাখ টাকার স্বপ্ন দেখছেন এই কৃষক। নিয়মিত গাছে সার কীটনাশক প্রয়োগ সহ গাছের পরিচর্যা করছেন তিনি অধিকাংশ গাছেই বাম্পার ফলন হয়েছে। বাগানটি তৈরি করতে এক বছরে প্রায় ৭০ হাজার টাকা ব্যয় করেছেন তিনি।

তবে আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবং কলায় কোনো রোগ বালাই না হলে বাণিজ্যিকভাবে কলা বিক্রি করে সারা বছরের সাংসারিক চাহিদা মেটাতে পারবেন বলে তিনি আশাবাদী। এ কৃষক আরও জানান, তুলনামূলকভাবে অন্যান্য ফসলের চেয়ে কলা চাষে খরচ কম লাভ বেশি । সাধারণত বৈশাখ মাসে কলার চারা রোপন করলে অগ্রহায়ণ মাস থেকে কলা পাওয়া শুরু হয়।

যেসব জমিতে বর্ষার পানি সাধারণত এক সপ্তাহের বেশি থাকে না সেসব জমিতে কলার চাষ ভাল হয়।তবে কৃষি অফিসের নিয়মিত পরামর্শ এবং মাঠ তদারকিতে উপজেলার অনেকেই কলা চাষে উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন বলে মনে করেন এ কৃষক। বেড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ নুসরাত কবীর ০বলেন ,২০২৫-২৬ অর্থ বছরে কলা আবাদের লক্ষ্য মাত্রা ছিল ২১ হেক্টর , অর্জন হয়েছে ২৩ হেক্টর।

কলা চাষিদের বিভিন্ন ধরনের উৎসাহ এবং পরামর্শ প্রদান করা হয়।দোআঁশ মাটিতে কলা চাষ ভালো হয় বলে তিনি অনলাইন নিউজ পোর্টাল কলমের বার্তাকে জানান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর