শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ০২:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
প্রতারণার অভিযোগে কেয়া নীট কম্পোজিট লিমিটেডের স্টোর অফিসার আটক।  এআই ছবি দিয়ে ভয় দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক: আড়াই লাখ টাকা ও ৫০টি জুতা পেটায় মিমাংসা করলেন ইউপি চেয়ারম্যান। এআই ছবি দিয়ে ভয় দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক: আড়াই লাখ টাকা ও ৫০টি জুতা পেটায় মিমাংসা করলেন ইউপি চেয়ারম্যান। কৃষিখাত হবে জাতীয় সমৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তি-জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী টঙ্গীতে সাড়ে ১০ হাজার পিস ইয়াবা এবং নগদ ৫৮ লাখ টাকাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। কোনাবাড়ীতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত।  সুন্দরগঞ্জে ইয়াবাসহ ২ মাদক কারবারি আটক উল্লাপাড়ার রামকৃষ্ণপুর ইউপিতে গ্রাম আদালত বিষয়ে বার্ষিক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত শাহজাদপুরে ট্রাফিক বিভাগের আয়োজনে জনসচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত তফসিলের আগেই বেড়ায় প্রচারণায় সম্ভাব্য প্রার্থীরা

পাতি নেতাদের দৌরাত্ম্য থেকে মুক্তির পথ কোনটি? উল্লাপাড়া–সলঙ্গা আসনে ভোটারদের গভীর ও চুলচেরা বিশ্লেষণ!

রিপোর্টারের নাম : / ১৫৭ বার পড়া হয়েছে।
সময় কাল : রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

আল-আমিন, উল্লাপাড়া :

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে সিরাজগঞ্জের (উল্লাপাড়া–সলঙ্গা ) আসনে ভোটারদের মধ্যে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা, বিশ্লেষণ ও হিসাব নিকাশ। পাড়া-মহল্লা, গ্রামগঞ্জ, হাট বাজার থেকে শুরু করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সবখানেই একটাই প্রশ্ন ঘুরে ফিরে আসছে, ভোটের মাধ্যমে কি পাতি নেতাদের দাপট, চাঁদাবাজি হয়রানি থেকে সাধারণ মানুষ রক্ষা পেতে পারে?

ভোটাররা বলছেন , প্রায় এলাকায় পাতি নেতারা সাধারণ মানুষের ওপর নানা ধরনের চাপ সৃষ্টি করে আসছেন বছরের পর বছর ধরে । মিথ্যা মামলার ভয় দেখিয়ে  টাকা আদায়, ভয়ভীতি প্রদর্শন এমনকি ব্যক্তিগত বিরোধকে রাজনৈতিক রূপ দেওয়ার ঘটনাও নতুন নয়। এসব কারণে ভোটারদের বড় একটি অংশ এবার ভোটকে দেখছেন আত্মরক্ষার একটি হাতিয়ার হিসেবে।

ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, অনেকেই এবার দলীয় পরিচয়ের বাইরে গিয়ে প্রার্থীর ব্যক্তিগত ইমেজ, সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা, অতীত ভূমিকা ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে সম্পর্ককে গুরুত্ব দিচ্ছেন। তাদের ভাষায়, ভুল মানুষকে ভোট দিলে পাঁচ বছর শুধু আফসোসই করতে হবে তাই এবার ব্যক্তি দেখে ভোট দিবো। তাই সেই ব্যক্তিকে ভোট দিবো যে এই সব পাতি নেতাদের দৌরাত্ম কমাতে পারবে পাড়া মহল্লায় ও গ্রামগঞ্জে। এবার ভোট হবে পাতি নেতাদের বিরুদ্ধে। পাড়া – মহল্লা, গ্রাম ও শহর বাঁচাতে ভোট দিবো ব্যক্তি দেখে।

এই আসনে এবারের নির্বাচনে মোট পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

বিএনপির প্রার্থী হিসেবে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে মাঠে রয়েছেন এম আকবর আলী।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হিসেবে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন রফিকুল ইসলাম খান।

জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী হিল্টন প্রামানিক লড়ছেন লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী আব্দুর রহমান প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন পাখা প্রতীক নিয়ে।

আর বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) থেকে কাস্তে প্রতীক নিয়ে মাঠে আছেন আব্দুল হাকিম।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, উল্লাপাড়া–সলঙ্গা আসনে এবার ভোটের সমীকরণ আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় ভিন্ন। এখানে দলীয় সমর্থনের পাশাপাশি ব্যক্তি গ্রহণযোগ্যতা বড় ভূমিকা রাখবে ভোটাররা । বিশেষ করে তরুণ ভোটার ও নারী ভোটারদের অংশগ্রহণ ফলাফলে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে।

সাধারণ ভোটারদের প্রত্যাশা, যিনি নির্বাচিত হবেন তিনি যেন এলাকার পাড়া মহল্লা ও গ্রামগঞ্জে পাতি নেতাদের দৌরাত্ম্য বন্ধে কার্যকর ভূমিকা রাখেন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করেন এবং সাধারণ মানুষ যেন নির্বিঘ্নে দিনযাপন করতে পারে সেই পরিবেশ নিশ্চিত করেন।

সব মিলিয়ে উল্লাপাড়া–সলঙ্গা আসনে এবারের নির্বাচন শুধু ক্ষমতায় যাওয়ার লড়াই নয়, বরং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা, সম্মান ও শান্তিপূর্ণ জীবনের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন হিসেবেই দেখছেন সচেতন মহল। ভোটের রায়ই নির্ধারণ করবে এই আসনের ভবিষ্যৎ কোন পথে যাবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর