কাজিপুরে রাতের আঁধারে কৃষি জমির মাটি কোথায় যায়
কাজিপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ চারিদিকে ফসলের সবুজ সমারোহের মাঝে দিনের আলোতে বন্ধ স্কেবেটরটিকে ঠাঁই দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে যে কেউ পরিত্যক্ত ভাবতে পারেন। আসলে বিষয়টি ভিন্ন। সারাদিন অসলভাবে স্কেবেটরটি বসে থাকলেও রাত নামার সাথে সাথে বাড়ে ব্যস্ততা। শুরু হয় রাতের আঁধারে অবৈধভাবে কৃষি জমি থেকে মাটি কাটার যজ্ঞ। অন্তত দশটি ট্রাকে পরিবহন হয় সেই মাটি। এমন দৃশ্য দেখে এলাকাবাসীও অবাক। প্রায় গত দশদিন ধরে প্রতিরাতেই এ ঘটনা ঘটছে সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার সোনামুখী ইউনিয়নের পারুলকান্দি গ্ৰামের হাটখোলার উত্তর পাশে। শনিবার (৩ জানুয়ারি) দিনের আলোতে স্কেবেটরটিকে বন্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়, এ ছাড়াও আশপাশের একাধিক আবাদি জমিতে সদ্য মাটি কাটার চিহ্ন রয়েছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় কৃষক ও আশপাশের জমির মালিকেরা জানান, চিহিৃত কিছু মাটি খেকো কতিপয় কৃষককে উচ্চ মূল্যের লোভ দেখিয়ে জমি থেকে মাটি কেটে ইটভাটাসহ বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি করে। প্রায় দশদিন ধরে এভাবে মাটি কাটা চলছে। পারুলকান্দি গ্ৰামের শিক্ষক(নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) জানান, স্বার্থান্বেষীরা প্রশাসনিক ঝামেলা এড়াতে রাতের অন্ধকারে অপরাধ করে চলেছে, টাকার লোভে কৃষি জমির টপ সয়েল কেটে নিয়ে যাচ্ছে, যা কৃষির জন্য হুমকি স্বরূপ। প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। কথা বলে আরো জানা যায়, পার্শ্ববর্তী বগুড়া জেলার ধুনট উপজেলার বড়বিলা গ্ৰামের মৃত আম্বিয়া মাষ্টারের ছেলে সুলতান অবৈধ মাটি কাটা ঘটনায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন। মাটি ক্রেতা সেজে মুঠোফোনে কল করলে সুলতান জানান, প্রচুর মাটি রয়েছে যা ১৫শত টাকা প্রতি ট্রাক দরে বিক্রি হচ্ছে, পারুলকান্দি ছাড়াও তার একাধিক মাটি কাটার পয়েন্ট রয়েছে, প্রশাসনের ঝামেলা করে তাই রাতে কাটতে হয়। এ বিষয়ে কাজিপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি জানান, প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে।







