জব্দ ঘোড়া বিক্রির অভিযোগ, বদলির পরও থানা ছাড়েননি ওসি।
গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ভ্রাম্যমান আদালত অভিযান পরিচানা করে ৯ টি ঘোড়া জব্দ করে থানা হেফাজতে রাখে। থানা হেফাজত থেকে সেই ঘোড়া বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ উঠে কালিয়াকৈর থানার ওসি খন্দকার নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে। ওই ঘটনার পর তাকে বদলী করা হলেও শনিবার বিকেল পযন্ত তিনি কর্মস্থল ত্যাগ করে নতুন কর্মস্থলে যোগদান করেনি।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ১৭ মার্চ কালিয়াকৈরের খলিশাজানি এলাকার একটি জঙ্গল থেকে জবাইয়ের প্রস্তুতিকালে ৯টি ঘোড়া উদ্ধার করে পুলিশ। পরে সেগুলো থানা হেফাজতে রাখা হয়। থানা হেফাজতে রাখা অবস্থায় একটি অসুস্থ্য হয়ে একটি ঘোড়া মারাও যায়। হঠাৎ করে কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার নাসির উদ্দিন গত রোববার ভোরে অনেকটা গোপনে একটি ব্যাক্তির কাছে ৮ টি ঘোড়া বিক্রি করে দেন। সোমবার সকালে থানায় ঘোড়া না দেখে স্থানীয়রা এবং সংবাদকর্মীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে থানা থেকে ঘোড়া উধাও নিয়ে পোস্ট করে। মুহুর্তে ঘোড়া বিক্রির খবর ভাইরাল হয়ে যায়।
এ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হলে উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশে ঘোড়াগুলো ফেরত এনে ২৪ মার্চ দুপুরে প্রকাশ্য নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করা হয়েছে।
তবে ঘোড়াগুলি ফেরত আনা হলেও দুইটি ঘোড়া ঘোড়ার রং জব্দ করা ঘোড়ার সঙ্গে অমিল দেখতে পাওয়া যায়। উপজেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমান আদালতে জব্দ করা থানা হেফাজত থেকে ঘোড়া বিক্রি করে দেয়া এবং পরবর্তী চাপে পরে ভিন্ন রংয়ের ঘোড়া উপজেলার প্রশাসনের কাছে হাজির করে নিলামে বিক্রি করার হয়। সেই খবর ব্যপক ভাবে ছড়িয়ে পড়লে কালিয়াকৈর থানার ওসিকে গত ৩০ মার্চ সরিয়ে দেয়া হয়। এছাড়া গত ২ এপ্রিল নতুন ওসির পদায়ন করা হয়। কিন্তু শনিবার পযন্ত অভিযুক্ত ওসি খন্দকার নাসির উদ্দিন পদায়নকৃত কর্মস্থলে না যাওয়ায় নতুন ওসি যোগদান করতে পারেনি।
কেন ষ্টেশন ছাড়েননি জানতে চাইলে ওসি খন্দকার নাসির উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, আমি উর্ধতন কর্মকর্তাদের কাছ থেকে রোববার পযন্ত সময় নিয়েছি।
গাজীপুরের কালিয়াকৈর ও শ্রীপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) হলেন মো. মেরাজুল ইসলাম বলেন, নতুন কর্মস্থলে যাওয়ার আগে থানার কিছু পেন্ডিং কাজের জন্য তিনি দুই দিনের সময় নিয়েছেন।







