বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০২ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
বেনাপোল-পেট্রাপোল স্থলবন্দরে আমদানি-রফতানি শুরু। নববর্ষে আবৃত্তি প্রতিযোগীতায় জেলায় ২য় স্থান শিবরাম স্কুলের শিক্ষার্থী নুহা বেড়ায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে নববর্ষ উদযাপন পহেলা বৈশাখ মঙ্গলবার বন্ধ থাকছে বেনাপোলে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম শিক্ষাক্ষেত্রে একবারই রেজিস্ট্রেশন করতে হবে, এক মুরগী ৩ বার জবাই চলবে না-যশোরে শিক্ষামন্ত্রী। শার্শায় ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা : অভিযুক্ত বৃদ্ধ আটক। এবার ঝিকরগাছায় পিকআপের ধাক্কায় যুবক নিহত। যশোরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাংলা নববর্ষ উদযাপন শুরু। সলঙ্গায় এভার গ্রীন দই মিষ্টি ঘর ও আলীম হোটেলে ভোক্তা অধিকারের জরিমানা হেযবুত তাওহীদ কার্যক্রম বন্ধের দাবীতে বিক্ষোভ করছেে উলামায়ে কেরাম ও তৌহিদী জনতা।

মণিরামপুরে ১৬ বছর অনুপস্থিত থেকেও বেতন ভাতা উত্তোলনের অভিযোগ।

রিপোর্টারের নাম : / ২৪ বার পড়া হয়েছে।
সময় কাল : সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬

মনির হোসোন, যশোর জেলা প্রতিনিধি: যশোরের ‘মণিরামপুর মহিলা আলিম মাদ্রাসা’র ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক নুপুর বিশ্বাস প্রায় ১৬ বছর যাবৎ অনুপস্থিত। তার স্বামী পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডেও (আরইবি) প্রধান কার্যালয়ে একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা হিসেবে চাকুরি করতেন। সেই সুবাদে তিনি ঢাকায় স্বামীর কাছে অবস্থান করছেন। অভিযোগ রয়েছে নুপুর বিশ্বাস মাদ্রাসায় না আসলেও তার নামে প্রতিমাসে সরকারি বেতনভাতা উত্তোলনের পর ভাগবাটোয়ারা করা হচ্ছে।

জানাযায়, মণিরামপুর মহিলা আলিম মাদ্রাসার ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক নুপুর বিশ্বাস ২০০৪ সালের ১১ জুলাই যোগদান করেন এবং ২০০৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে তিনি এমপিওভূক্ত হন। অভিযোগ রয়েছে ২০১০ সালের পর তিনি আর মাদ্রাসায় যাননি। জানাগেছে নুপুর বিশ্বাসের স্বামী পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডেরর(আরইবি) প্রধান কার্যালয়ে চাকুরি করতেন। সেই সুবাদে তিনি ঢাকায় স্বামীর বাসায় অবস্থান করছেন। অবশ্য নুপুর বিশ্বাসের স্বামী গতবছর অবসরে যান। এ দিকে নুপুর বিশ্বাসের নামে বছরের পর বছর প্রতিমাসে সরকারি বেতনভাতা উত্তোলন করা হচ্ছে। নুপুর বিশ্বাসের এমপিও ইনডেক্স নম্বর ২০১০৬৩৯, তার নামে বেতন উত্তোলন করা হচ্ছে প্রতিমাসে ৪৬ হাজার ৬০৭ টাকা। সে হিসেবে ১৬ বছরে প্রায় ৯০ লাখ টাকা উত্তোলন করে ভাগবাটোয়ারা করা হয়েছে। আর এ টাকা নুপুর বিশ্বাসসহ অধ্যক্ষ ভাগবাটোয়ারা করেন বলে মাদ্রাসার নির্ভরযোগ্য একাধিক সূত্রের অভিযোগ। তবে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মহসিন আলী বলেন- আমি মাদ্রাসায় যোগদান করেছি ২০২২ সালের ১ সেপ্টেম্বর। পূর্ববর্র্তী অধ্যক্ষ ও সভাপতিরা নুপুর বিশ্বাসকে এ সুবিধা দেন। তারই ধারাবাহিকতায় নুপুর বিশ্বাসের দায়িত্ব পালন করেন মুরাদুজ্জামান নামে বাইরের এক শিক্ষক। তাকে মাসে পাঁচ হাজার টাকা সম্মানি দেয়া হয়। বাকী টাকা নুপুর বিশ্বাস এবং মাদ্রাসার উন্নয়নকল্পে খরচ করা হয়। এ ব্যাপারে জানতে নুপুর বিশ্বাসের মোবাইল ফোনে একাধিকবার ফোন করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।
মাদ্রাসার গর্ভনিংবডির সভাপতি ব্যবসায়ী ইকবাল হোসেন থাকেন ঢাকায়। তিনি মোবাইল ফোনে এ ব্যাপারে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, শুধু নুপুর বিশ্বাস নয়, এ ধরনের অভিযোগ আরো রয়েছে। তিনি বলেন অতি শিঘ্রই গভর্নিংবডির সভা ডেকে এসব দূর্নীতির অবসান করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে। আর এ সব অনিয়ম ও দুর্নীতি বন্ধ করতে ব্যর্থ হলে প্রয়োজনে সভাপতির পদ থেকে পদত্যাগ করার কথা বলেন ইকবাল হোসেন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার সম্রাট হোসেন বলেন, বিষয়টি নিয়ে আমাকে কেউ অবহিত করেনি। তবে অনিয়ম ও দুর্নীতির যে অভিযোগ উঠেছে তা তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর