রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০২:৩৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
প্রতারণার অভিযোগে কেয়া নীট কম্পোজিট লিমিটেডের স্টোর অফিসার আটক।  এআই ছবি দিয়ে ভয় দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক: আড়াই লাখ টাকা ও ৫০টি জুতা পেটায় মিমাংসা করলেন ইউপি চেয়ারম্যান। এআই ছবি দিয়ে ভয় দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক: আড়াই লাখ টাকা ও ৫০টি জুতা পেটায় মিমাংসা করলেন ইউপি চেয়ারম্যান। কৃষিখাত হবে জাতীয় সমৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তি-জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী টঙ্গীতে সাড়ে ১০ হাজার পিস ইয়াবা এবং নগদ ৫৮ লাখ টাকাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। কোনাবাড়ীতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত।  সুন্দরগঞ্জে ইয়াবাসহ ২ মাদক কারবারি আটক উল্লাপাড়ার রামকৃষ্ণপুর ইউপিতে গ্রাম আদালত বিষয়ে বার্ষিক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত শাহজাদপুরে ট্রাফিক বিভাগের আয়োজনে জনসচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত তফসিলের আগেই বেড়ায় প্রচারণায় সম্ভাব্য প্রার্থীরা

ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে এমপিরা পাচ্ছেন ৩ কোটি টাকা

রিপোর্টারের নাম : / ২৮২ বার পড়া হয়েছে।
সময় কাল : বুধবার, ১৮ মে, ২০২২

ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে প্রত্যেক সংসদ-সদস্যকে ৩ কোটি করে টাকা দেওয়া হচ্ছে। তবে নগদ নয়, এই টাকা দেওয়া হচ্ছে প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য। ‘সর্বজনীন সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়ন’ নামে একটি প্রকল্পের আওতায় সংসদ-সদস্যরা তাদের নির্বাচনি এলাকায় মসজিদ, মন্দির, গির্জা, প্যাগোডা, ঈদগাহ, শ্মশানসহ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়নে এই টাকা খরচ করবেন। ১ হাজার ৮২ কোটি টাকা ব্যয়ের এই প্রকল্পটি ইতোমধ্যে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (একনেক) অনুমোদন পেয়েছে। স্থানীয় সরকার বিভাগ এটি বাস্তবায়ন করবে। পুরো টাকা সরকার নিজস্ব উৎস থেকে জোগান দেবে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, প্রকল্পটির মেয়াদ ধরা হয়েছে ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত। ৩ বছরে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে। ১৭ হাজার ৩২১টি সামাজিক ও ধর্মীয় স্থাপনায় বরাদ্দ করা টাকা খরচ করা হবে। শুরুতে এ প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছিল ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা। মূল্যায়ন কমিটির সভায় তা কমিয়ে ১ হাজার ৮২ কোটি টাকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। সিটি করপোরেশন এলাকা বাদে প্রকল্পটি সারা দেশে বাস্তবায়ন করা হবে। দেশে বর্তমানে ৪৯৫টি উপজেলা রয়েছে। সে হিসাবে প্রতি উপজেলায় গড়ে ২ কোটি টাকা খরচ করা হবে। আর সংরক্ষিত আসনসহ মোট সংসদ-সদস্য রয়েছেন ৩৫০ জন। এই হিসাবে একেকজন সংসদ-সদস্য নিজ এলাকায় সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়নে গড়ে ৩ কোটি টাকা ব্যয়ের সুযোগ পাবেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এর আগে একাদশ জাতীয় নির্বাচনের আগেও অর্থাৎ ২০১৭ সালে ‘সর্বজনীন সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়ন’ নামে সরকারের পক্ষ থেকে একই ধরনের একটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়। ওই সময় খরচ ধরা হয় ৬৬৫ কোটি টাকা। প্রতিটি উপজেলার ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়নে তখন প্রত্যেক সংসদ-সদস্যের ভাগে পড়ে প্রায় দুই কোটি টাকা।

এবারের সর্বজনীন সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়ন নামের প্রকল্পের প্রস্তাবনা অনুযায়ী কোথায় কোন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন করা হবে, সেটি ঠিক করবেন স্থানীয় সংসদ-সদস্য। তবে তিনি স্থানীয় উপজেলা চেয়ারম্যান, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের সঙ্গে আলোচনা করে তা চূড়ান্ত করে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরকে জানাবেন। পরবর্তী সময়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর ওইসব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ভবন, দেওয়াল নির্মাণ, আসবাবপত্র সরবরাহসহ অন্যান্য অবকাঠামোগত উন্নয়ন করে দেবে। সংসদীয় কমিটি সূত্রে জানা যায়, সর্বজনীন সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়নের মতো আরও নানা নামে কয়েকটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে পল্লি সড়কে গুরুত্বপূূর্ণ সেতু নির্মাণ প্রকল্প (দ্বিতীয় পর্যায়), বরিশাল বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা ও ইউনিয়ন সড়ক প্রশস্তকরণ ও শক্তিশালীকরণ প্রকল্প, নওগাঁ সড়ক বিভাগাধীন ৩টি আঞ্চলিক মহাসড়ক এবং ৩টি জেলা মহাসড়ক যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ প্রকল্প।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর