মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ০১:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
শ্রীপুরে আল্লাহর বিধান প্রতিষ্ঠার ইচ্ছা পোষণ করে ফেসবুকে পোস্ট করায় মারধর,থানায় অভিযোগ। অনুমোদনহীন মেলা বন্ধ করে দিলো জিএমপি ডিসি। ছেলের মৃত্যুর বিচার চেয়ে ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন উচ্চশিক্ষা রূপান্তরে ‘জাতীয় কর্মশালা’ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী পুলিশ বাহিনী চেইন অব কমান্ড মেনে কাজ না করলে ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আমরা নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়তে চাই : প্রধানমন্ত্রী জয়পুরহাটে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকি, জিডি জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে লেখাপড়া না করেও সঠিক সনদে ৩০ বছর চাকরি। একমাত্র ডাঃ ৩ মাসের ছুটিতে লালমনিরহাট পরিবার পরিকল্পনা তিন উপজেলার চিকিৎসা সেবা বঞ্চিত হাজারো মানুষ সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর শিক্ষা উন্নয়নে একসাথে কাজ করবে বাউবি ও ইউনিসেফ – বাউবি উপাচার্য।

১৯ দিন পর কারামুক্ত বিজ্ঞানশিক্ষক হৃদয় মণ্ডল

রিপোর্টারের নাম : / ২৮৩ বার পড়া হয়েছে।
সময় কাল : সোমবার, ১১ এপ্রিল, ২০২২

ধর্ম অবমাননার মামলায় গ্রেপ্তারের ১৯ দিন পর কারামুক্ত হয়েছেন মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার বিনোদপুর রাম কুমার উচ্চবিদ্যালয়ের বিজ্ঞান ও গণিতের শিক্ষক হৃদয় চন্দ্র মণ্ডল।

ধর্ম অবমাননার মামলায় মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার বিনোদপুর রাম কুমার উচ্চবিদ্যালয়ের বিজ্ঞান ও গণিতের শিক্ষক হৃদয় চন্দ্র মণ্ডল ১৯ দিন পর কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন। বিকেল ৪টা ৫০ মিনিটে জেলা কারাগার থেকে মুক্ত হন তিনি।

এর আগে বেলা সোয়া একটার দিকে মুন্সিগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মুতাহারাত আক্তার ভূঁইয়া তাঁর জামিন মঞ্জুর করেন। এরপর জামিনের কাগজপত্র কারাগারে পৌঁছালে তিনি কারামুক্ত হন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগারের জেলার আবুল বাশার।

গত ২৩ ও ২৮ মার্চ আদালতে হৃদয় মণ্ডলের জামিন চাওয়া হয়েছিল। সে সময় আদালত তাঁর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন। ইসলাম ধর্ম অবমাননার অভিযোগে হৃদয় চন্দ্র মণ্ডলের বিরুদ্ধে গত ২২ মার্চ বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী মো. আসাদ বাদী হয়ে মামলাটি করেন। ওই দিনই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

হৃদয় মণ্ডলের গ্রেপ্তারের ঘটনার বিষয়ে বিনোদপুর রাম কুমার উচ্চবিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক বলেন, ২০ মার্চ দশম শ্রেণির মানবিক শাখার বিজ্ঞানের ক্লাস নিচ্ছিলেন হৃদয় চন্দ্র মণ্ডল। সেখানে বিজ্ঞান ও ধর্ম বিষয়ে তাঁর সঙ্গে শিক্ষার্থীদের কয়েকজনের পক্ষে-বিপক্ষে কথোপকথন হয়। এক শিক্ষার্থী ওই কথোপকথনের ভিডিও ধারণ করে। পরবর্তী সময়ে প্রধান শিক্ষক মো. আলাউদ্দীনকে বিষয়টি জানানো হয়। প্রধান শিক্ষক সেদিনই হৃদয় চন্দ্রকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেন এবং শিক্ষার্থীদের শান্ত থাকতে বলেন। তবে শিক্ষার্থীরা স্থানীয় কয়েকজন ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের বিষয়টি জানায়। পরদিন সকালে তাঁরা বিদ্যালয়ে এসে ওই শিক্ষককে গ্রেপ্তারের দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

ওই শিক্ষক বলেন, ‘আমিও এই বিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলাম। অনেক আগে থেকেই হৃদয় স্যারকে ব্যক্তিগতভাবে চিনি। তাঁর মধ্যে ধর্মীয় বিশ্বাসের সঙ্গে সব ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধা ছিল। ধর্মান্ধতার বিষয়টি কখনো দেখিনি। তিনি কখনো কোনো ধর্মকে ছোট করে কথা বলতেন না। ধর্মীয় রীতিনীতি কারও ওপর চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করতেন না।’ তাঁর সঙ্গে অন্যায় করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর