শ্রীপুরে আল রাজি হাসপাতালকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত
গাজীপুরের শ্রীপুরে আল রাজি হাসপাতালকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। বৈধ কাগজপত্র এবং সরকারি অনুমোদন না থাকায় ওই হাসপাতালকে এ জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক শ্রীপুর উপজেলা সহরকারি কমিশনার (ভূমি) সাইদুল ইসলাম। রবিবার (৭ ডিসেম্বর) দুপুরে শ্রীপুর পৌরসভার মাওনা চৌরাস্তা এলাকায় ওই হাসপাতালে আদালত পরিচালনা করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক শ্রীপুর উপজেলা সহরকারি কমিশনার (ভূমি) সাইদুল ইসলাম জানান, শনিবার (৬ ডিসেম্বর) দুপুরে নার্স দিয়ে প্রসূতির ডেলিভারী করার সময় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ উঠে। মৃত নবজাতককে নিয়ে নাজমুল ইসলাম ও শারমিন আক্তার দম্পতি থানায় উপস্থিত হয়ে বিচার দাবি করেন। এ ঘটনায় শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সহযোগীতায় স্থানীয় প্রশাসন ও হাসপাতালে অভিযান চালায়। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কোনো ধরনের বৈধ কাগজপত্র এবং সরকারি অনুমোদন দেখাতে না পারায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন-২০০৯ এর ৪৫ ধারা মতে ভ্রাম্যমাণ আদালত ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও আদায় করা হয়।

তিনি আরো জানান, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ হাসপাতাল পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং কর্মচারীদের নিয়োগে যথাযথ প্রক্রিয়া আগামী দুই মাসের মধ্যে নিশ্চিত করতে হবে। তা না হলে সিভিল সার্জনের মাধ্যমে হাসপাতালটি সীলগালা করার জন্য বলা হবে।
শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম জানান, দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতাল পরিচালনা করে আসলেও কর্তৃপক্ষ কোনো ধরনের বৈধ কাগজপত্র বা সরকারি অনুমোদনের কাগজপত্র দেখাতে পারেননি।

প্রসঙ্গত, নাজমুল ইসলাম ও শারমিন আক্তার দম্পতি শ্রীপুর উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের আজুগিরচালা গ্রামের বাসিন্দা। শনিবার (৬ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে তাঁর স্ত্রী শারমিন আক্তারকে আল রাজি হাসপাতালে ভর্তি করান। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সাথে ১৩ হাজার টাকায় সিজারিয়ান অপারেশন করার চুক্তি হয়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আমার স্ত্রীকে সিজারিয়ান অপারেশন না করে নরমাল ডেলিভারি করানোর চেষ্টা করে সময় পার করতে থাকে। হাসপাতালে চিকিৎসক না থাকায় নার্স কল্পনা আক্তার নরমাল ডেলিভারির করার সময় নবজাতকের মৃত্যু হয়। নবজাতকের মৃত্যুর বিষয়ে জানতে চাইলে হাসপাতালের লোকজন আমাদের দুর্ববহার করেন







